-১৪%
ঝাল ও রঙিন
দেশি হলুদ গুঁড়া
দেশি হলুদ সিদ্ধ করে রোদে শুকিয়ে খাঁটি গুঁড়া — গাঢ় প্রাকৃতিক রং, তীব্র ঘ্রাণ। কোনো কৃত্রিম রং, চালের গুঁড়া বা ভেজাল নেই।
- দেশি জাতের হলুদ থেকে তৈরি
- সিদ্ধ করে রোদে শুকানো — ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি
- কোনো কৃত্রিম রং বা চালের গুঁড়া নেই
- রান্না, দুধ ও রূপচর্চায় ব্যবহারযোগ্য
- ১০০% প্রাকৃতিক
- ক্যাশ অন ডেলিভারি
- নিরাপদ প্যাকেজিং
- সহজ রিটার্ন
কেন খাবেন দেশি হলুদ গুঁড়া?
গাঢ় প্রাকৃতিক রং
কারকিউমিনের স্বাভাবিক সোনালি-হলুদ রং।
তীব্র সুগন্ধ
দেশি হলুদের নিজস্ব মাটির ঘ্রাণ।
গোল্ডেন মিল্ক
গরম দুধে মিশিয়ে প্রচলিত হলুদ-দুধ বানান।
প্রচলিত ঘরোয়া ব্যবহার
রান্না থেকে রূপচর্চা — বহুমুখী।
ভেজালমুক্ত
মেটানিল ইয়েলোর মতো ক্ষতিকর রং নেই।
পণ্যের বিস্তারিত
সোনালি রং, মাটির ঘ্রাণ
আমাদের হলুদ আসে দেশি জাতের গাছ থেকে। কাঁচা হলুদ সিদ্ধ করে, কয়েক দিন রোদে শুকিয়ে, তারপর গুঁড়া করা হয় — ঠিক যেভাবে আমাদের মা-দাদিরা করতেন। তাই রং গাঢ়, ঘ্রাণ তীব্র আর রান্নায় সামান্য দিলেই যথেষ্ট।
কেন খোলা বাজারের হলুদ নয়?
খোলা হলুদ গুঁড়ায় রং উজ্জ্বল দেখাতে প্রায়ই মেটানিল ইয়েলো নামের ক্ষতিকর রং বা চালের গুঁড়া মেশানো হয়। আমাদের প্রতিটি ব্যাচ শুধু হলুদ — আর কিছু নয়।
কীভাবে ব্যবহার করবেন
- ১
তরকারি, ডাল ও মাছে স্বাভাবিক পরিমাণে ব্যবহার করুন।
- ২
গোল্ডেন মিল্ক: এক কাপ গরম দুধে আধা চা-চামচ হলুদ, এক চিমটি গোলমরিচ ও মধু।
- ৩
রূপচর্চায় বেসন বা দইয়ের সঙ্গে প্যাক বানাতে পারেন।
- ৪
শুকনো, ঠান্ডা জায়গায় এয়ারটাইট অবস্থায় রাখুন।
সতর্কতা: পিত্তথলির পাথর থাকলে বা রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন করলে অতিরিক্ত মাত্রায় (সাপ্লিমেন্ট হিসেবে) গ্রহণের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
বাজারের সাধারণ পণ্য বনাম ফ্রুট বাজার
সাধারণ প্রশ্নোত্তর
দেশি হলুদ আর হাইব্রিড হলুদে পার্থক্য কী?
দেশি হলুদ আকারে ছোট হলেও রং ও ঘ্রাণ অনেক বেশি তীব্র।
ভেজাল হলুদ চিনব কীভাবে?
এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা চামচ দিন; খাঁটি হলুদ ধীরে তলায় বসে, ভেজাল রং দ্রুত পানি গাঢ় হলুদ করে দেয়।
হাতে দাগ লাগে কেন?
প্রাকৃতিক কারকিউমিনের কারণে — এটি খাঁটি হলুদের লক্ষণ।
গ্রাহকের রিভিউ

দেশি হলুদ গুঁড়া — আজই অর্ডার করুন
পণ্য হাতে পেয়ে দেখে মূল্য পরিশোধ করুন। মান নিয়ে সমস্যা হলে আমরা বদলে দেব।
Reviews
এখনো কোনো রিভিউ নেই।